প্রতারক সার্থপর হওয়া গল্প

জানেন ? প্রত্যেক প্রতারকদের স্বার্থপর হবার পিছনে একটা গল্প থাকে গল্পগুলোর শুরুটা নাটকীয় না হলেও শেষটা খুব রোমাঞ্চকর নাটকীয় হয়ে থাকে যা যুগপোযুগিভাবে গাথাঁ থাকে স্মৃতি নামক নাট্যকাব্যে এক মহাকাব্য হিসাবে। শুরুর দিকে সব গল্পই একধরনের আলাদিনের চেরাগ থেকে দৈত্য আসা রুপকথা হিসাবে শুরু হলেও শেষটা বরাবরই হুমায়ন স্যারের হীমুর না খুঁজে পাওয়া রুপার মতই ইতি ঘটে।

একপক্ষের দোষ দেয়া যাবে না তা কখনোই না। এক হাতে তালি বাজে না। বাস্তব চিন্তা করলে হিমু নিজের মধ্যে থাকা ভুলে কারনে যেমন রুপাকে হাতে পেয়েও হারিয়েছে ঠিক প্রতারকরা সার্থপর হওয়ার পিছনেও বাস্তবগুলো স্পষ্ট দাড়িয়েছে।

…গল্প শুধু প্রতারক সার্থপর হবার পিছনেই থাকে না । গল্প থাকে একটা জন্মের ,গল্প থাকে নির্বিক শুন্যেতার , গল্প থাকে প্রতিনিয়ত মৃত জেনেও জীবিত থাকা মানুষটার,গল্প থাকে একটা সিগারেটের স্ট্রে’র আমরা কয়টা গল্পই আর উপলব্দি করতে পারি।

কেননা আমরা সবসময় লাইটের আলো’র আগে বা সামনে যেই গল্প গুলোর স্যাম্পলস্বরুপ চোখে দেখি তা নিয়ে বিচার করি কিন্তু এই লাইটের পিছনে যে একটা গল্প থাকে লুকানো,থাকে অসাদৃশ্যমান অস্কারজয়ী চরিত্র তা আমরা দেখি না আর খালি চোখে দেখাও যায় না ।

একটা মানুষকে জানি প্রতি বছর একটা সময়ের বিশেষ কিছু দিনে অশরীরি জীবিত আত্মার পিছনে ঘুরে বেড়ায়। অশরীরিরা ধরা দেয় না এ জেনেও ঘুরে বেড়াচ্ছে এর পিছনেও একটা গল্প আছে, যেমন সে স্বপ্নে দেখেছে যে এই অশরীরি যেদিন ধরা দিবে সেদিন খুলে যাবে তার বন্ধ থাকা সব জানালা।কিন্তু আপসোস অশরীরিরা ধরা দেয় না আর খোলাও হয় না তার বন্ধ থাকা প্রাচীন জানালা।

পৃথিবীর এক আকাশের নিচে জীবিত থেকেও একজন প্রিয় মানুষের জন্মদিনে তাকে শুভ জন্মদিন বলতে না পারা’র গল্প কী ? জেনে দেখেছেন বা ঊপলব্দি করেছেন? আপনার সাধারন উত্তর আসে কী ? হ্যাঁ অযোগ্যতার কারনে সে পারে নি। আপনি ভূল! চোখে আঙূল দিয়ে প্রমান করতে পারি।

… আপনার ব্যর্থতা তার না বলা গল্প শুনতে পারেন নি।

আরো একজন মানুষকে চিনি যে , তার একটা বিশেষ দিন আসলে সে একলা ঘরে কানে হেড ফোন লাগিয়ে শুধু ফেসবুক টাইমলাইন স্ক্রলিং করে কাটিয়ে দেয়। অপর প্রান্তের বিশেষ কিছু মুহুর্ত তার স্ক্রলিং- এ ধরা দেয় কি না সে অপেক্ষায়।

নীলাম্বরী’র জন্মদিনে অপর প্রান্তে ১১’৫৯মিনিটে ম্যাসেজ লিখে মুছে ফেলার অদ্ভুত গল্প জানি,একটা ছেলেকে চিনতাম যে বছরক্ষানেক আগের ঘটে যাওয়া গল্পের স্মৃতি নিয়ে না’কি রুক্ষশ্বাস নিচ্ছে প্রতিদিনই। ছেলেটা একজন মানুষকে পছন্দ করতো কিন্তু পছন্দ করলে কি আসে যায় । মন তো থাকা লাগে তাই না? তার একটা সময় ছিল সে কী রাগ অভিমান শুধু জন্মদিনে একটু লেইট উইশ করার কারনে। হাতের কাছে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ডিজিটাল ক্যামেরাগুলো থাকলে প্রতিটা মুহুর্ত অসাধারন শ্যুট হতো।

বছর ঘুরে আবারো জন্মদিন আসে এবং আসে সেই মুহুর্ত কিন্তু কেউ আর অপেক্ষা করে না।সেগুলো এখন অতীত আর জানামতে অতীত কখনো মরে না। এখন হাজারো জ্বলদি করতে চাইলেও শেষমেষ..

আর করা হয় না।

হ্য়তো তার লিখা ম্যাসেজের আগেও এখন অন্যে কেউ ম্যাসেজ ঠুকে দেয় সেই ম্যাসেজের ভীড়ে তার ম্যাসেজ চোখে পরবে না।না পরার ভয়ে ম্যাসেজ লিখেও দীর্ঘশ্বাস নিয়ে ব্যাকস্পেস দিয়ে সেই ম্যাসেজ আর লিখা হয় না

বরাবরে মতই চিরচেনা লেইট লতিফ বনে যাওয়া ।

মানুষগুলো বদলায় , বদলায় তাদের অস্থিত্ব কিছু মানুষ হারিয়ে খুজে মহাকাশের নিচে।আর কিছু মানুষ থেকেও মহাকাশের নিচে খুজে বেড়ায় হারানো অস্থিত্বের ছায়াকে।

ভালোবাসাগুলো হারায় না হারায় শুধু ভালো ।বাসা গুলো থেকে যায় রয়ে যায় গল্প হয়ে হয়তবা বছরের একদিনের জন্মদিনের খাওয়ার বাহানা করে ।

দিনশুরুতে বড়সুরে গান না গেলেই এইমুহুর্তে জীবনটা সম্পূর্ন বৃথা,

ভালোবাসা বদলায় না, বদলায় শুধু দেহ “

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s